
নিজস্ব প্রতিনিধি,ঈদগাঁও
হিরোইনও গাজাসেবীদের নিরাপদ স্থান হিসেবে সেবনকারীরা রেলপথটি বেচে নেয়ায় বিব্রতকর অবস্থায় পড়েন স্থানীয়রা। তথ্য মতে,ঈদগাঁও-চৌফলদন্ডী সড়কের পশ্চিমে রেলপথে বিশেষ করেই বিকেলে বিভিন্ন পয়েন্ট হিরোইন ও গাজাসেবীদের দখলে বললেই চলে।কিশোর বা মধ্যবয়সী পুরুষ রেল সড়কে বিটের উপর বসে গাঁজাও হেরোইন সেবনে অভ্যাস্ত হয়ে পড়ে। এমন দৃশ্য যেন স্থানীয় ভ্রমণরত লোকজনদের চোখে পড়ে। সুপরিচিত কারো দেখলে ক্ষনিকের জন্য একটু আড়াল হয়ে পরবর্তীতে ফের বসেই অপকর্মের সাথে লিপ্ত হয়ে সাজানোও গোছানো সুন্দর জীবনকে ধংসের দিকে ধাবিত করে তুলে প্রত্যক্ষদর্শী সূত্র মতে, হিরোইন ও গাজাসেবীদের কারনে বিকেলে ব্যায়াম,স্বাস্থ্যের জন্য হাঁটাহাটি করা নারী-পুরুষরা বিব্রতবোধ করেন। লজ্জায় কিছু বলার সাহসও পাচ্ছেন না তারা। প্রায় প্রতিদিন বিকেলে স্থানীয়রা ছাড়াও দুরের লোকজনরা হাঁটাহাটি করে রেল সড়কের বিভিন্ন পয়েন্টে। তরুন,যুবকসহ মহিলাদেরকেও চোখে পড়ে। ঠিক এমন সময়ে হিরোইনও গাজাসেবীরা বিটের উপর বসে তারা তাদের মত করে সেবনে ব্যস্ত থাকেন। স্থানীয়দের অভিযোগ, হিরোইনসহ গাজাসেবনে নিরাপদ স্থান রেলসড়ক। যার কারনে, এলাকার সুনাম দিন দিন বিনষ্ট হচ্ছে। বিকেলের মনোরম পরিবেশে ভ্রমণটাও অতিষ্ঠ হয়ে উঠে। তদন্তের মাধ্যমে অপরাধী চক্রের বিরুদ্ধে বিহীন ব্যবস্থার দাবী।ইসলামাবাদের রেলওয়ে স্টেশনের আওতাধীন এলাকায় রেলপথে পুলিশের তৎপরতা বা টহল দৃশ্যমান না থাকার সম্প্রতি হিরোইন সেবীদের আড্ডা বেড়েছে। এতে করে স্থানীয় পথচারীদের মাঝে চরম উদ্বেগ আর উৎকন্ঠা দেখা দিয়েছে।রেল সড়কটিতে গোয়েন্দা নজর দারী মাধ্যমে হিরোইন সেবীদের চিহ্নিত পূর্বক গ্রেফতার করে আইনের আওতায় আনার দাবী জানিয়েছেন সচেতন মহল। অন্যথায় এলাকার পরিবেশ দিন দিন নষ্টের পথে ধাবিত হবে। আরেক সচেতন যুবক জানান, রেল স্টেশনের পাশ্ববর্তী স্থানে টোকাইদের উৎপাত বেড়েছে। রাত্রিকালীন চলাচলে নিরাপদবোধ করছেন না স্থানীয়রা। দেখার যেন কেউ নেই।ইসলামাবাদ রেলওয়ে কতৃপক্ষের মতে, এখনো পুলিশী টহল কার্যক্রম শুরু হয়নি। তবে আস্তে ধীরে হবে।
